সনাতন ধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সনাতন ধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯

সনাতন ধর্ম মানুষকে কী দিচ্চে !!!

সনাতন ধর্ম মানুষকে কী দিচ্চে !!!

সনাতন ধর্ম মানুষকে দিচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনের পূর্ণ বাস্থবায়ন এর প্রত্যশা  ।আমদের প্রত্যকে জন্মের পর থেকে শুরু করে মৃত্যুর  পরবর্তী সময় পযর্ন্ত রয়েছে দশবিদ সংস্কার। আমাদের আরো রয়েছে কিভাবে ভগবান কে লাভ করা যায় তার বর্ণাশ্রম।তাছাড়া ও অর্থবিদ্যা,চিকিৎসা বিদ্যা ,মহাকাশ বিদ্যা ,উদ্ভিদ বিদ্যা ও প্রাণী বিদ্যার মত আরো এমন বিষয় নেই যে আমাদের সনাতন ধর্মে পাওয়া্ যায় না।
Amader Hindu Dormo ki Dicce-Sonaton Bangla


সৃষ্টি কর্তা কী রকম সাকার না নিরাকার,সাকার হলে কি রকম আর নিরাকার হলে কি রকম, সাকার উপসনা লাভ কী বা নিরাকার উপসনা হলে লাভ কী ।আত্মা কি ভাবে সৃষ্টি হয়েছে, তার আয়তন কত সে কিভাবে চলাফেরা করে।
এই রকম বিষয়ক গেন অর্জন করা যায় আমাদের সনাতন ধর্মে ।
সনাতন ধর্ম হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ধর্ম।
আমাদের সনাতন ধর্মে কখনো কাহারো উপর জুলুম করেনি। বরং হাজারো নির্যাতন নিপাড়ণ হওয়ার পর ও মুখ বুঝে সহ্য করে আছে। ্এবং আমার ধর্ম বলে পারলে সহযোগিতা করো অন্যকে না হলে কারো  ক্ষতি করো না । এজন্য আমরা আমাদের নিয়ে গর্ববোধ করি।

শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৯

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে কিছু তথ্য জানুন

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে কিছু তথ্য জানুন

প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণ কি ঈশ্বর..?

১.  শ্রীকৃষ্ণ জন্ম গ্রহণ (ঈশ্বরের জন্ম,মৃত্য হয় না..!)
         ২.শ্রীকৃষ্ণ বিয়ে করেছেন (ঈশ্বর কখনো বিয়ে করতে পারে না..!)
৩.শ্রীকৃষ্ণের ছেলে আছে (ঈশ্বরের কখনো ছেলে থাকতে পারে না..!)
৪. শ্রীকৃষ্ণ বেদের বাণে মারা গিয়েছিনে (ঈশ্বর কখনো মারা যায় না..!) 

তার মনে দেখাগেছে শ্রীকৃষ্ণ ঈশ্বর নয় ,শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছে ঈশ্বরের পঠানো দূত। এটা কেবল হিন্দু ধর্মে নয় সকল ধর্মের জন্য । যেমন , খ্রীষ্টান ধর্মে যীশু খ্রীষ্ট বলেছেন আমি ঈশ্বর নই ,ঈশ্বরের পুত্র।
মুহাম্মদ বলেছেন আমি খোদা নয় ,খোদার সংবাদ বাহক।
 
আমাদের এই পোষ্টটি বুঝতে হলে প্রথমে আমি কে ,সেই পোষ্টটি বুঝতে হবে.।
প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণ কি ঈশ্বর..?

            ১. শ্রীকৃষ্ণ জন্ম গ্রহণ (ঈশ্বরের জন্ম,মৃত্য হয় না..!)
             ২.শ্রীকৃষ্ণ বিয়ে করেছেন (ঈশ্বর কখনো বিয়ে করতে পারে না..!)
৩.শ্রীকৃষ্ণের ছেলে আছে (ঈশ্বরের কখনো ছেলে থাকতে পারে না..!)
৪. শ্রীকৃষ্ণ বেদের বাণে মারা গিয়েছিনে (ঈশ্বর কখনো মারা যায় না..!) 

তার মনে দেখাগেছে শ্রীকৃষ্ণ ঈশ্বর নয় ,শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছে ঈশ্বরের পঠানো দূত। এটা কেবল হিন্দু ধর্মে নয় সকল ধর্মের জন্য । যেমন , খ্রীষ্টান ধর্মে যীশু খ্রীষ্ট বলেছেন আমি ঈশ্বর নই ,ঈশ্বরের পুত্র।
মুহাম্মদ বলেছেন আমি খোদা নয় ,খোদার সংবাদ বাহক।
 
আমাদের এই পোষ্টটি বুঝতে হলে প্রথমে আমি কে ,সেই পোষ্টটি বুঝতে হবে.।

শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯

আমি গর্বিত আমি সনাতন ধর্মালম্ববী !!

আমি গর্বিত আমি সনাতন ধর্মালম্ববী !!


আমি গর্বিত আমি সনাতন ধর্মালম্ববী !!


পৃ
থিবীতে সবচেয়ে প্রাচীন ধম হল সনাতন ধর্ম  । কালের বিবতনে অনেক পরিবতন হলে ও সনাতন ধর্ম আজ স্বমহিমায় দায়িয়ে আছে ।  আমদের ধম অনেক অন্যায় অত্যাচার সহ্য করে ও আজ ও এ ধম স্ব গবে দাড়িয়ে আছে । আমার ধর্ম সনাতন ধর্ম  এর কোন পরিবতন নাই । এই ধম আতীতে  ও ছিল  বতমানে আছে  ভবিষ্যতে ও থাকবে  । ।আমার ধম আমর অহংকার  । স্বামী বিবেকান্দ বলেছেন  তুমি পৃথিবীর যে প্রান্ত থাকনা কের তুমি গর্ভ করে বল আমি হিন্দু । 

 হিন্দু মেয়েরা প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে যায় এর সমাধান কি হতে পারে?

হিন্দু মেয়েরা প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে যায় এর সমাধান কি হতে পারে?


হিন্দু মেয়েরা প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে যায় এর সমাধান কি হতে পারে? 

    বতমানে হি্ন্দু মেয়েরা সবছেয়ে  বেশী ধমান্তরিত হয় । এটা কোন নতুন  ঘটনা নয় ।সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে  এটা প্রায় দেখা যায় । । এর প্রাধান কারন হলো নিজের ধম সম্পকে না জানা  এবং মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধু গড়ে তোলা এর প্রধান সমস্যা । একটি মুসলিম ছেলে একটি হিন্দুমেয়েকে আস্তে আস্তে প্রেমের ফাঁদে পেলতে থাকে  মেয়েটাকে নিজ ধর্সম্পকে আজে বাজে কথা বলতে থাকে  মেয়েটা না  জানার কারনে সে নিজ ধম কে আস্তে ঘৃনা করতে থাকে । অবশেষে সে  ধমান্তরিত হয়ে যায় । কিন্তু পরিনামে দেখা যায় কয়েক বছর পর সে মুসলিম ছেলেটা  ঘর থেকে বের করে দেয় বা হ্ত্যা করে ফেলে। েএর থেকে সমাধান পেতে হলে প্রতিটি মেয়েকে নিজ নিজ ধম সম্পকে জ্ঞান জান খাকতে হবে । মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবেনা প্রত্যেক পরিবারের মা বাবাকে সচেতন থাকতে হবে । লাভ জিহাদেরর ফলে ধমান্তরিতি মেয়েদের করুন পরিনতী কী হয় তা দেখে সবাই যেন সচেতন হয় ।

ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ? (সনাতন বাংলা)

ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ? (সনাতন বাংলা)


ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ?

ভগবান তো সকল প্রনীতে আত্না রুপে বিরাজ করেন। কিন্তু তাকে দেখা  যায় না । তিনি সকলের হৃদয়ে বিদ্যমান আছেন । আমরা শধু উপল্বধি করতে পারে কিন্তু দেখা যায় না। ভগবানকে জানতে হলে মহাপুরুষের  রীতিনীতি মেনে চলা প্রয়োজন । তারা যে পথ দেখিয়েছেন আমাদেরকে সে পথ অনুসরন করলে আমরা ভগবানকে জানতে পারব।তাই আমাদেরকে মহাপুরুষের জীবন অনুসরন করতে হবে এবং ভগবানকে জানা সহজ হবে ।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯

এখন কলিযুগ আর কলি যুগের যুগবতার হলো চৈতন্যমহাপ্রভু (সনাতন বাংলা)

এখন কলিযুগ আর কলি যুগের যুগবতার হলো চৈতন্যমহাপ্রভু (সনাতন বাংলা)

আমরা এক সৃষ্টিকর্তা ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বিশ্বাসী ,আমরা এক  শাস্ত্র ভাগবত গীতা বিশ্বাসী মানব সৃষ্টি।

আমরা একমন্ত্র হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র বিশ্বাসী ও আমরা কলিযুগের যুগবতার চৈতন্য মহাপ্রভু অনুসারী।


চৈতন্য মহাপ্রভু বলেছেন কলিযুগে ধর্ম কৃষ্ণ নাম সংকীর্ত্তন ।শুধু কৃষ্ণ নামে জীবের মুক্তি লাভ গঠে। শুধু হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ ও কীর্ত্তন করার ফলে জীবের অনাহাসে মুক্তি হবে । তাই কৃষ্ণ নাম ব্যাতিত আর অন্য কোন কিছু করা প্রশ্ন উঠে না।

তাই যে সমস্ত অবুজ ব্যাক্তিরা কৃষ্ণ ভক্তির দিকে মুখ করেনি তাদের কাছে গিয়ে বেশি বেশি করে হরে কৃষ্ণ মহা মন্ত্র প্রচার করতে হবে।তা হলে তারা ও কৃষ্ণ ভক্তি লাভ করতে পারবে।

হরে কৃষ্ণ সবাই ভাল থাকুন ।

আজকের মত এখানে শেষ করলাম।
আমরা আরো ধর্মীয় পোস্ট নিয়ে আসছি। আমাদের সাথে থাকুন ্এবং আমাদের পোস্ট গুলো শেয়ার করুন।
ভগবানকে জানুন,ভগবান কে ডাকুন,ভগবানের নাম প্রচার করুন। (সনাতন বাংলা)

ভগবানকে জানুন,ভগবান কে ডাকুন,ভগবানের নাম প্রচার করুন। (সনাতন বাংলা)

পরম করুনাময় সৃষ্টি কর্তা ভগবান

তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন তিনি জগৎতের সৃষ্টি কর্তা আমরা তাহার সৃষ্টি কৃত মানুষ জাতি।তাই আমাদের সবার জীবনের মূল উদ্দেশ্য ঈশ্বর প্রাপ্তি লাভ করা।

ভগবান কে লাভ করতে হলে ভগবানকে জানতে হবে ও ডাকতে হবে এবং ভগবানের নাম প্রচার করতে হবে ।
ভগবান আমাদের মাঝে সর্বত্র মান বিরাজমান আমরা ভগবান কে দেখতে পাই না। কিন্তু ভগবান আমাদের সাথে থাকেন। আমাদের কে ভগবানের কৃপা লাভ করতে হলে ধর্মীয় নিয়মাবলী কাজ গুলো করতে হবে। ভগবান কে সর্বদা সরণ করুন ভগবান আপনার সহায় হবেন।
উদারণ সমূহঃ  যেমন আমরা রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় আমরা কিছু করিনা । হয়তো মনে মনে গান করি বা মানুষ জন দেখে এভাবে সময় টা নষ্ট করি। এই সব গুলো করে  সময়টা নষ্ট না করে মনে মনে ভগবানের অমৃত মহা মন্ত্র হরেকৃষ্ণ নাম জপ করতে পারি। 
যদি এভাবে প্রতিনিয়ন আমরা ভগবানের নাম জপ করি তাহলে কৃপা দৃষ্টি লাভ করতে পারবো। হরে কৃষ্ণ
আজকের মত এখানে শেষ করলাম।
আমাদের পোস্ট গুলো শেয়ার করুন।
আমি কে,কোথা থেকে এসেছি,কোথায় যাব নিজে জানুন অন্যকে জানান (সনাতন বাংলা)

আমি কে,কোথা থেকে এসেছি,কোথায় যাব নিজে জানুন অন্যকে জানান (সনাতন বাংলা)

সনাতন ধর্ম হচ্ছে আদি ধর্ম। ‍সিন্দু থেকে উৎপিত্ত হয়ে হিন্দু ধর্ম প্রচার হয়।

আমি কে,কোথা থেকে এসেছি,কোথায় যাব !!!

এজনম কত সাধনার ফলে পেয়েছি এই জনম কিসের জন্য? কৃষ্ণ ভজনের জন্য তার চরণ পাবার আশায় যা স্বর্গের দেব দেবীরা ও আশা করে যা ওদের ভাগ্যে
নাই, আর আমারা কি করছি?

মায়া দ্বারা আবদ্ধ হয়ে যে কি না আমাদের পরম বন্ধু তাকেই ভুলে বসে আছি। যারা নাকি পর দুদিনের সঙ্গী তাদের আপন করে বসে আছি। তাহলে আমরা কেমন বোকা?
এই ধরাধামে এসেছি প্রতিটি সেকেন্ডের ও অনেক মূল্য। আমাদের জন্য প্রতিটি মুহূর্ত হারিয়ে ফেলছি আমরা আমাদের জীবন থেকে।
আমাদের হিন্দু ধর্মের প্রতিটি সদস্যকে সকাল সন্ধ্যা সর্বনিম্ন 108 বার বা 2 মালা হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা উচিত।

সকল কাজের আগে কিছু খাওয়ার আগে শ্রী কৃষ্ণায় নমঃ প্রণাম করে খেতে হবে।

কারণ আমরা যা কিছু আহরণ করি সবই  ভগবানের সৃষ্টি তাই কোন কিছু খাওয়ার আগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে নিবেদন করে খেতে হয়।
আাজ এখানেই শেষ করলাম হরে কৃষ্ণ।

আরো বিস্তারিত নিয়ে  আমরা আসছি আমাদের সাথে থাকুন !!
আমাদের পোস্ট গুলো শেয়ার করতে একেবারে ভুলবেন না।

বিশ্বাসে মিলায় কৃষ্ণ তর্কে বহু দুর (সনাতন বাংলা) সনাতন ধর্ম প্রচার

বিশ্বাসে মিলায় কৃষ্ণ তর্কে বহু দুর (সনাতন বাংলা) সনাতন ধর্ম প্রচার

সনাতন ধর্ম প্রচার করা আমাদের উদেশ্য ঃ

আমাদের সবার লক্ষ্য কৃষ্ণ প্রাপ্তি । ভগবান শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন সর্বশক্তি মান। বিশ্বব্রক্ষাণ্ডের একমাএ মালিক একমাত্র উপাস্য পরমেশ্বর ভগবান।


সনাতন ধর্মের প্রচারঃ সনাতন ধর্ম প্রচার এটা কোন সংঙ্গ নয়। সনাতন ধর্মের কাজ হচ্ছে সনাতন ধর্ম প্রচার করা।
আমরা ভগবানের কথা সর্বদা প্রচার করি ও ভক্ত হতে অনুপ্রাণিত করি। ভক্তের জন্য ভগবানের রাজ্য বিস্তারই ধর্মকার্য । আমরা প্রত্যকে ভগবানের সৈনিক। সে প্রভুর পতাকা ধারণ করবো। এবং তার রাজ্য বিস্তার করবো।ভগবানের রাজ্য অশান্তি ,দুঃখ এবং কোন শয়তানি ভাব থাকবে না।এই জগৎকে স্বর্গে পরিনত করতে হবে, ইহাই ধার্মিকের কাজ।