ধর্মীয় কথা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ধর্মীয় কথা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৯

আমি কে সেটা বুঝতে হলে গীতা বুঝতে হবে পার্ট 2

আমি কে সেটা বুঝতে হলে গীতা বুঝতে হবে পার্ট 2

আমি কে সেটা বুঝতে হলে গীতা বুঝতে হবে পার্ট 2

হে সনাতন ,এখানে দুইটা কথা বলা হয়েছে এবং দুইটা কথা আমরা দুই ধরণের দেখতে পাচ্ছি। আমি আবার সংক্ষেপে বুঝার জন্য বলছি,
১.আমাকে শরণ কর।
২. তাহার শরণ লও।

 হে সনাতন  আমরা একটি গল্পের মাধ্যেমে আমি কে সেটা বুঝে নিই ,(মনে যোগ দিয়ে না পড়লে কিছুই বুঝা যাবে না )
ধরুণ দুবার জন্ম গ্রহন করেছন ,প্রথম বারে আপনি যখন জন্ম গ্রহন করেছেন আপনার আত্মাটা আপনার সাথে করে আসে নাই। তখন আপনাকে কি করবে ..? (আত্মা আসে নাই মানে আপনি মৃত) আপনার নামকরণ করা হবে..? নিশ্চয় আপনার উত্তর হবে,না।এবার ধরুণ আপনি দ্বিতীয় বার জন্ম গ্রহন করেছেন। তখন আপনার সাথে করে আত্মাটা এসেছে (আত্মা আসা মানে আপনি জীবিত) তখন আপনাকে কি করবে, তখন নিশ্চয় আপনার নামকরণ করা হবে.!

হে সনাতন,এখন আপনাদের কাছে প্রশ্ন হলো,
এখানে নামটা কার..?
১.আত্মার।
২.দেহের।
উত্তর: আত্মার।
    একটু ঠান্ডা মথায় বিচার করলে আমরা দেখতে পাচ্ছি,নামটা আত্মার হয়,দেহের নয়।
 
এবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণে বাণীর মধ্যে আসুন,ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন যে হে অর্জুন তুমি আমাকে শরণ কর। এখানে আমাকে বলতে শ্রীকৃষ্ণে দেহকে নয় আমার, আপনার , শ্রীকৃষ্ণ ইত্যাদি সকল প্রাণীর অন্তরালে যে পরমপুরুষ সধায় বিরাঝ মান তার কথাই বুঝানো হয়েছে।

এবার আমরা লোকনাথ বাবার বাণীর মধ্যে আসি
                              প্রথম বাণির মধ্যে বলেছেন, রণে,বনে ,জলে ,জঙ্গলে যেখানে বিপদে পড়বি আমাকে শরণ
করবি।
দ্বিতীয় বাণির মধ্যে বলেছেন,তোরা আমার চরণ দরিশ না,আমার আচরণ দর।

হে সনাতন, এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি ,শ্রীকৃষ্ণ কথা আর লোকনাথ বাবার কথা এক। তার মানে লোকনাথ বাবাও একি সত্যেও কথা কথা বলেছেন।যে আমি নয়,আমার ,তোমার মধ্যে পরমপুরুষ বিরাজমান তাকে শরণ কর।

আমি কে সেটা বুঝতে হলে গীতা বুঝতে হবে

আমি কে সেটা বুঝতে হলে গীতা বুঝতে হবে

গীতা বুঝতে হলে প্রথমে আমি কে সেটা বুঝতে হবে ।

হে সনাতন চলুন আমরা গীতা থেকে যেনে নিই আমি কে .!
গীতার অনেক অধ্যায়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন যে,
১. হে অর্জুন, তুমি  আমাকে শরণ কর ,আমাকে নমষ্কার কর ,আমার শরণ লও।
আবার অনেক অধ্যায়ে বলেছেন যে ,
২.হে অর্জুন ,ঈশ্বর সকল জীবকে দেহরুপ যন্ত্রে আরোহণ করিয়া মায়ার দ্বারা ভ্রমন করান। তাই হে ভারত সর্বত ভাবে তাহার শরণাগত হও (যিনি হৃদয় অধিষ্ঠিত)তার কৃপায় তুমি পরম শান্তি ও পরম ধাম প্রাপ্ত হইবে।

শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯

 হিন্দু মেয়েরা প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে যায় এর সমাধান কি হতে পারে?

হিন্দু মেয়েরা প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে যায় এর সমাধান কি হতে পারে?


হিন্দু মেয়েরা প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে যায় এর সমাধান কি হতে পারে? 

    বতমানে হি্ন্দু মেয়েরা সবছেয়ে  বেশী ধমান্তরিত হয় । এটা কোন নতুন  ঘটনা নয় ।সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে  এটা প্রায় দেখা যায় । । এর প্রাধান কারন হলো নিজের ধম সম্পকে না জানা  এবং মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধু গড়ে তোলা এর প্রধান সমস্যা । একটি মুসলিম ছেলে একটি হিন্দুমেয়েকে আস্তে আস্তে প্রেমের ফাঁদে পেলতে থাকে  মেয়েটাকে নিজ ধর্সম্পকে আজে বাজে কথা বলতে থাকে  মেয়েটা না  জানার কারনে সে নিজ ধম কে আস্তে ঘৃনা করতে থাকে । অবশেষে সে  ধমান্তরিত হয়ে যায় । কিন্তু পরিনামে দেখা যায় কয়েক বছর পর সে মুসলিম ছেলেটা  ঘর থেকে বের করে দেয় বা হ্ত্যা করে ফেলে। েএর থেকে সমাধান পেতে হলে প্রতিটি মেয়েকে নিজ নিজ ধম সম্পকে জ্ঞান জান খাকতে হবে । মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবেনা প্রত্যেক পরিবারের মা বাবাকে সচেতন থাকতে হবে । লাভ জিহাদেরর ফলে ধমান্তরিতি মেয়েদের করুন পরিনতী কী হয় তা দেখে সবাই যেন সচেতন হয় ।

হিন্দুরা কেন দুর্বল?

হিন্দুরা কেন দুর্বল?

হিন্দুরা কেন দুর্বল? 

পৃথিবীতে সবচেয়ে প্রাচীন ধম হচ্ছে সনাতন ধর্ম । কিনতু পুরাতন ধম হওয়া সত্বে ও এই ধম আজ অনেক পিছনে । হিন্দুদের জ্ঞান আছে কিন্তু তারা সে জ্ঞান কাজে লাগাতে পারছে না । তারা সংখ্যায় কিন্তু কম না তাদের কান্ড জ্ঞান নেই । ফলে ভারতীয় উপমহাদেশ কয়েক শত বছর বিদেশীরা শাসন করেছে । ।এই কারনে তারা হিন্দুদের দুবলতা কাজে লাগিয়ে তারা ভারতের অনেক হিন্দকে ধমান্তরিত করেছে। হিন্দুরা কোন প্রতিবাদ করার কারনে ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে জোর করে ধমন্তরিত করন এর ফরে হাজার  হাজার হিন্দু নিজ ধম ছেড়ে দিয়ে অন্য ধর্ গ্রহন করতে থাকে । এজন্য হিন্দুরা এত দুর্বল ।
ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ? (সনাতন বাংলা)

ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ? (সনাতন বাংলা)


ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ?

ভগবান তো সকল প্রনীতে আত্না রুপে বিরাজ করেন। কিন্তু তাকে দেখা  যায় না । তিনি সকলের হৃদয়ে বিদ্যমান আছেন । আমরা শধু উপল্বধি করতে পারে কিন্তু দেখা যায় না। ভগবানকে জানতে হলে মহাপুরুষের  রীতিনীতি মেনে চলা প্রয়োজন । তারা যে পথ দেখিয়েছেন আমাদেরকে সে পথ অনুসরন করলে আমরা ভগবানকে জানতে পারব।তাই আমাদেরকে মহাপুরুষের জীবন অনুসরন করতে হবে এবং ভগবানকে জানা সহজ হবে ।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯

এখন কলিযুগ আর কলি যুগের যুগবতার হলো চৈতন্যমহাপ্রভু (সনাতন বাংলা)

এখন কলিযুগ আর কলি যুগের যুগবতার হলো চৈতন্যমহাপ্রভু (সনাতন বাংলা)

আমরা এক সৃষ্টিকর্তা ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বিশ্বাসী ,আমরা এক  শাস্ত্র ভাগবত গীতা বিশ্বাসী মানব সৃষ্টি।

আমরা একমন্ত্র হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র বিশ্বাসী ও আমরা কলিযুগের যুগবতার চৈতন্য মহাপ্রভু অনুসারী।


চৈতন্য মহাপ্রভু বলেছেন কলিযুগে ধর্ম কৃষ্ণ নাম সংকীর্ত্তন ।শুধু কৃষ্ণ নামে জীবের মুক্তি লাভ গঠে। শুধু হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ ও কীর্ত্তন করার ফলে জীবের অনাহাসে মুক্তি হবে । তাই কৃষ্ণ নাম ব্যাতিত আর অন্য কোন কিছু করা প্রশ্ন উঠে না।

তাই যে সমস্ত অবুজ ব্যাক্তিরা কৃষ্ণ ভক্তির দিকে মুখ করেনি তাদের কাছে গিয়ে বেশি বেশি করে হরে কৃষ্ণ মহা মন্ত্র প্রচার করতে হবে।তা হলে তারা ও কৃষ্ণ ভক্তি লাভ করতে পারবে।

হরে কৃষ্ণ সবাই ভাল থাকুন ।

আজকের মত এখানে শেষ করলাম।
আমরা আরো ধর্মীয় পোস্ট নিয়ে আসছি। আমাদের সাথে থাকুন ্এবং আমাদের পোস্ট গুলো শেয়ার করুন।
ভগবানকে জানুন,ভগবান কে ডাকুন,ভগবানের নাম প্রচার করুন। (সনাতন বাংলা)

ভগবানকে জানুন,ভগবান কে ডাকুন,ভগবানের নাম প্রচার করুন। (সনাতন বাংলা)

পরম করুনাময় সৃষ্টি কর্তা ভগবান

তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন তিনি জগৎতের সৃষ্টি কর্তা আমরা তাহার সৃষ্টি কৃত মানুষ জাতি।তাই আমাদের সবার জীবনের মূল উদ্দেশ্য ঈশ্বর প্রাপ্তি লাভ করা।

ভগবান কে লাভ করতে হলে ভগবানকে জানতে হবে ও ডাকতে হবে এবং ভগবানের নাম প্রচার করতে হবে ।
ভগবান আমাদের মাঝে সর্বত্র মান বিরাজমান আমরা ভগবান কে দেখতে পাই না। কিন্তু ভগবান আমাদের সাথে থাকেন। আমাদের কে ভগবানের কৃপা লাভ করতে হলে ধর্মীয় নিয়মাবলী কাজ গুলো করতে হবে। ভগবান কে সর্বদা সরণ করুন ভগবান আপনার সহায় হবেন।
উদারণ সমূহঃ  যেমন আমরা রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় আমরা কিছু করিনা । হয়তো মনে মনে গান করি বা মানুষ জন দেখে এভাবে সময় টা নষ্ট করি। এই সব গুলো করে  সময়টা নষ্ট না করে মনে মনে ভগবানের অমৃত মহা মন্ত্র হরেকৃষ্ণ নাম জপ করতে পারি। 
যদি এভাবে প্রতিনিয়ন আমরা ভগবানের নাম জপ করি তাহলে কৃপা দৃষ্টি লাভ করতে পারবো। হরে কৃষ্ণ
আজকের মত এখানে শেষ করলাম।
আমাদের পোস্ট গুলো শেয়ার করুন।