হিন্দু ধর্মের প্রশ্ন ও উত্তর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
হিন্দু ধর্মের প্রশ্ন ও উত্তর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৯

বেদ শব্দের অর্থ হল জ্ঞান । সকল জ্ঞানের মূলে রয়েছে একাক্ষর প্রণব (ওঙ্কার )

বেদ শব্দের অর্থ হল জ্ঞান । সকল জ্ঞানের মূলে রয়েছে একাক্ষর প্রণব (ওঙ্কার )

যা কিছু কর না কেন অর্থ বুঝে কীর্ওন করতে হয় ,তবেত ভাব হবে।
 

হরে কৃষ্ণ ,হরে কৃষ্ণ ,কৃষ্ণ কৃষ্ণ ,হরে  হরে ।
হরে রাম ,হরে রাম ,রাম রাম ,হরে হরে

শ্রী চৈতন্য বলে গেলেন তারক ব্রহ্মনাম ,এ নামে জীবের এাণ হবে । তনি  কি আর মিছে বেেলছেন গো না মিছে বল্তে এসেছিলেন !কিন্তু ক’টা জীবের হল ?

 হরে , কৃষ্ণ , রাম -কথা ত তিনটি ,বার বার করে তিনি ষোল বার বলেছেন । নাম করে এ সাধাকের ষোলটি লক্ষণ প্রাকাশ পাবে- 
১। পঞ্চ প্রাণের জাগরন - প্রান ,অপ্রান ,ব্যান সমান ,উদান
২।পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের জাগরন - চক্ষু ,কর্ণ ,নাসিকা জিহ্বা  ,ত্বক ।
৩। ছয় রসের জাগরণ - লবন ,ইক্ষু ,সুরা ,সর্পী ,দধি দুগ্ধ ।
বল ত ক ’জনের হয়েছে?
রস কিন্তু সাতটি -সপ্তদশ  (১৭) বস্তুটির জাগরণ ব্যতীত সপ্তম রসটি পাওয়া যায় না ।

সপ্তদশ (১৭)নামটি রয়েছে এই ষোল নামের গোড়াতে । সেইটিকে জান্তে পারলে এই ষোলটিকে নিয়ে আর হাঙ্গামা    দরকার নেই  ।
একের মাঝে যে একশ সেই একটিকে জানলেই বোঝা যায় ।

গীতাতে ভগবান বলেছেন  - প্রণভ ঃ সর্ব্বদেবষু -
 বেদ শব্দের অর্থ হল জ্ঞান । সকল জ্ঞানের মূলে রয়েছে একাক্ষর প্রণব (ওঙ্কার )

আমরা যাকে ভগবান মান্য করি তার কথা কি মেনে চলি ?

আমরা যাকে ভগবান মান্য করি তার কথা কি মেনে চলি ?

আমরা যাকে ভগবান মান্য করি তার কথা কি মেনে চলি ? দেবতা পূজা প্রসঙ্গে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কি বলেছেন চলুন গীতা থেকে জেনে নেওয়া যাক । 
SoNaton Bangla-Amra Jake vogoban mone kori
SoNaton Bangla-Amra Jake vogoban mone kori

নবম অধ্যায়রের ২৩নং শ্লোকে বলেছেন যে হে অর্জুন যারা ভক্তিপূর্বক অন্যদেবতার পূজা করে তারা ও অবিধিপূর্বক আমার ই পূজা করে । ২৪নং শ্লোকে আমি  (ঈশ্বর ) সর্ব যজ্ঞের ভোক্তা ও কর্মের ফলদাতা তা মুর্খ ব্যাক্তি তা জানে না  । তাই সংসারে অধোপতিত হয় । ।         

অপনাদের কোন মতামত থাকলে কমেন্টে যানাতে পারেন ।


রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯

সনাতন ধর্ম মানুষকে কী দিচ্চে !!!

সনাতন ধর্ম মানুষকে কী দিচ্চে !!!

সনাতন ধর্ম মানুষকে দিচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনের পূর্ণ বাস্থবায়ন এর প্রত্যশা  ।আমদের প্রত্যকে জন্মের পর থেকে শুরু করে মৃত্যুর  পরবর্তী সময় পযর্ন্ত রয়েছে দশবিদ সংস্কার। আমাদের আরো রয়েছে কিভাবে ভগবান কে লাভ করা যায় তার বর্ণাশ্রম।তাছাড়া ও অর্থবিদ্যা,চিকিৎসা বিদ্যা ,মহাকাশ বিদ্যা ,উদ্ভিদ বিদ্যা ও প্রাণী বিদ্যার মত আরো এমন বিষয় নেই যে আমাদের সনাতন ধর্মে পাওয়া্ যায় না।
Amader Hindu Dormo ki Dicce-Sonaton Bangla


সৃষ্টি কর্তা কী রকম সাকার না নিরাকার,সাকার হলে কি রকম আর নিরাকার হলে কি রকম, সাকার উপসনা লাভ কী বা নিরাকার উপসনা হলে লাভ কী ।আত্মা কি ভাবে সৃষ্টি হয়েছে, তার আয়তন কত সে কিভাবে চলাফেরা করে।
এই রকম বিষয়ক গেন অর্জন করা যায় আমাদের সনাতন ধর্মে ।
সনাতন ধর্ম হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ধর্ম।
আমাদের সনাতন ধর্মে কখনো কাহারো উপর জুলুম করেনি। বরং হাজারো নির্যাতন নিপাড়ণ হওয়ার পর ও মুখ বুঝে সহ্য করে আছে। ্এবং আমার ধর্ম বলে পারলে সহযোগিতা করো অন্যকে না হলে কারো  ক্ষতি করো না । এজন্য আমরা আমাদের নিয়ে গর্ববোধ করি।

শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৯

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে কিছু তথ্য জানুন

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে কিছু তথ্য জানুন

প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণ কি ঈশ্বর..?

১.  শ্রীকৃষ্ণ জন্ম গ্রহণ (ঈশ্বরের জন্ম,মৃত্য হয় না..!)
         ২.শ্রীকৃষ্ণ বিয়ে করেছেন (ঈশ্বর কখনো বিয়ে করতে পারে না..!)
৩.শ্রীকৃষ্ণের ছেলে আছে (ঈশ্বরের কখনো ছেলে থাকতে পারে না..!)
৪. শ্রীকৃষ্ণ বেদের বাণে মারা গিয়েছিনে (ঈশ্বর কখনো মারা যায় না..!) 

তার মনে দেখাগেছে শ্রীকৃষ্ণ ঈশ্বর নয় ,শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছে ঈশ্বরের পঠানো দূত। এটা কেবল হিন্দু ধর্মে নয় সকল ধর্মের জন্য । যেমন , খ্রীষ্টান ধর্মে যীশু খ্রীষ্ট বলেছেন আমি ঈশ্বর নই ,ঈশ্বরের পুত্র।
মুহাম্মদ বলেছেন আমি খোদা নয় ,খোদার সংবাদ বাহক।
 
আমাদের এই পোষ্টটি বুঝতে হলে প্রথমে আমি কে ,সেই পোষ্টটি বুঝতে হবে.।
প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণ কি ঈশ্বর..?

            ১. শ্রীকৃষ্ণ জন্ম গ্রহণ (ঈশ্বরের জন্ম,মৃত্য হয় না..!)
             ২.শ্রীকৃষ্ণ বিয়ে করেছেন (ঈশ্বর কখনো বিয়ে করতে পারে না..!)
৩.শ্রীকৃষ্ণের ছেলে আছে (ঈশ্বরের কখনো ছেলে থাকতে পারে না..!)
৪. শ্রীকৃষ্ণ বেদের বাণে মারা গিয়েছিনে (ঈশ্বর কখনো মারা যায় না..!) 

তার মনে দেখাগেছে শ্রীকৃষ্ণ ঈশ্বর নয় ,শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছে ঈশ্বরের পঠানো দূত। এটা কেবল হিন্দু ধর্মে নয় সকল ধর্মের জন্য । যেমন , খ্রীষ্টান ধর্মে যীশু খ্রীষ্ট বলেছেন আমি ঈশ্বর নই ,ঈশ্বরের পুত্র।
মুহাম্মদ বলেছেন আমি খোদা নয় ,খোদার সংবাদ বাহক।
 
আমাদের এই পোষ্টটি বুঝতে হলে প্রথমে আমি কে ,সেই পোষ্টটি বুঝতে হবে.।

আমি কে সেটা বুঝতে হলে গীতা বুঝতে হবে পার্ট 2

আমি কে সেটা বুঝতে হলে গীতা বুঝতে হবে পার্ট 2

আমি কে সেটা বুঝতে হলে গীতা বুঝতে হবে পার্ট 2

হে সনাতন ,এখানে দুইটা কথা বলা হয়েছে এবং দুইটা কথা আমরা দুই ধরণের দেখতে পাচ্ছি। আমি আবার সংক্ষেপে বুঝার জন্য বলছি,
১.আমাকে শরণ কর।
২. তাহার শরণ লও।

 হে সনাতন  আমরা একটি গল্পের মাধ্যেমে আমি কে সেটা বুঝে নিই ,(মনে যোগ দিয়ে না পড়লে কিছুই বুঝা যাবে না )
ধরুণ দুবার জন্ম গ্রহন করেছন ,প্রথম বারে আপনি যখন জন্ম গ্রহন করেছেন আপনার আত্মাটা আপনার সাথে করে আসে নাই। তখন আপনাকে কি করবে ..? (আত্মা আসে নাই মানে আপনি মৃত) আপনার নামকরণ করা হবে..? নিশ্চয় আপনার উত্তর হবে,না।এবার ধরুণ আপনি দ্বিতীয় বার জন্ম গ্রহন করেছেন। তখন আপনার সাথে করে আত্মাটা এসেছে (আত্মা আসা মানে আপনি জীবিত) তখন আপনাকে কি করবে, তখন নিশ্চয় আপনার নামকরণ করা হবে.!

হে সনাতন,এখন আপনাদের কাছে প্রশ্ন হলো,
এখানে নামটা কার..?
১.আত্মার।
২.দেহের।
উত্তর: আত্মার।
    একটু ঠান্ডা মথায় বিচার করলে আমরা দেখতে পাচ্ছি,নামটা আত্মার হয়,দেহের নয়।
 
এবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণে বাণীর মধ্যে আসুন,ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন যে হে অর্জুন তুমি আমাকে শরণ কর। এখানে আমাকে বলতে শ্রীকৃষ্ণে দেহকে নয় আমার, আপনার , শ্রীকৃষ্ণ ইত্যাদি সকল প্রাণীর অন্তরালে যে পরমপুরুষ সধায় বিরাঝ মান তার কথাই বুঝানো হয়েছে।

এবার আমরা লোকনাথ বাবার বাণীর মধ্যে আসি
                              প্রথম বাণির মধ্যে বলেছেন, রণে,বনে ,জলে ,জঙ্গলে যেখানে বিপদে পড়বি আমাকে শরণ
করবি।
দ্বিতীয় বাণির মধ্যে বলেছেন,তোরা আমার চরণ দরিশ না,আমার আচরণ দর।

হে সনাতন, এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি ,শ্রীকৃষ্ণ কথা আর লোকনাথ বাবার কথা এক। তার মানে লোকনাথ বাবাও একি সত্যেও কথা কথা বলেছেন।যে আমি নয়,আমার ,তোমার মধ্যে পরমপুরুষ বিরাজমান তাকে শরণ কর।

শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯

আমি গর্বিত আমি সনাতন ধর্মালম্ববী !!

আমি গর্বিত আমি সনাতন ধর্মালম্ববী !!


আমি গর্বিত আমি সনাতন ধর্মালম্ববী !!


পৃ
থিবীতে সবচেয়ে প্রাচীন ধম হল সনাতন ধর্ম  । কালের বিবতনে অনেক পরিবতন হলে ও সনাতন ধর্ম আজ স্বমহিমায় দায়িয়ে আছে ।  আমদের ধম অনেক অন্যায় অত্যাচার সহ্য করে ও আজ ও এ ধম স্ব গবে দাড়িয়ে আছে । আমার ধর্ম সনাতন ধর্ম  এর কোন পরিবতন নাই । এই ধম আতীতে  ও ছিল  বতমানে আছে  ভবিষ্যতে ও থাকবে  । ।আমার ধম আমর অহংকার  । স্বামী বিবেকান্দ বলেছেন  তুমি পৃথিবীর যে প্রান্ত থাকনা কের তুমি গর্ভ করে বল আমি হিন্দু । 

 হিন্দু মেয়েরা প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে যায় এর সমাধান কি হতে পারে?

হিন্দু মেয়েরা প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে যায় এর সমাধান কি হতে পারে?


হিন্দু মেয়েরা প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে যায় এর সমাধান কি হতে পারে? 

    বতমানে হি্ন্দু মেয়েরা সবছেয়ে  বেশী ধমান্তরিত হয় । এটা কোন নতুন  ঘটনা নয় ।সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে  এটা প্রায় দেখা যায় । । এর প্রাধান কারন হলো নিজের ধম সম্পকে না জানা  এবং মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধু গড়ে তোলা এর প্রধান সমস্যা । একটি মুসলিম ছেলে একটি হিন্দুমেয়েকে আস্তে আস্তে প্রেমের ফাঁদে পেলতে থাকে  মেয়েটাকে নিজ ধর্সম্পকে আজে বাজে কথা বলতে থাকে  মেয়েটা না  জানার কারনে সে নিজ ধম কে আস্তে ঘৃনা করতে থাকে । অবশেষে সে  ধমান্তরিত হয়ে যায় । কিন্তু পরিনামে দেখা যায় কয়েক বছর পর সে মুসলিম ছেলেটা  ঘর থেকে বের করে দেয় বা হ্ত্যা করে ফেলে। েএর থেকে সমাধান পেতে হলে প্রতিটি মেয়েকে নিজ নিজ ধম সম্পকে জ্ঞান জান খাকতে হবে । মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবেনা প্রত্যেক পরিবারের মা বাবাকে সচেতন থাকতে হবে । লাভ জিহাদেরর ফলে ধমান্তরিতি মেয়েদের করুন পরিনতী কী হয় তা দেখে সবাই যেন সচেতন হয় ।

হিন্দুরা কেন দুর্বল?

হিন্দুরা কেন দুর্বল?

হিন্দুরা কেন দুর্বল? 

পৃথিবীতে সবচেয়ে প্রাচীন ধম হচ্ছে সনাতন ধর্ম । কিনতু পুরাতন ধম হওয়া সত্বে ও এই ধম আজ অনেক পিছনে । হিন্দুদের জ্ঞান আছে কিন্তু তারা সে জ্ঞান কাজে লাগাতে পারছে না । তারা সংখ্যায় কিন্তু কম না তাদের কান্ড জ্ঞান নেই । ফলে ভারতীয় উপমহাদেশ কয়েক শত বছর বিদেশীরা শাসন করেছে । ।এই কারনে তারা হিন্দুদের দুবলতা কাজে লাগিয়ে তারা ভারতের অনেক হিন্দকে ধমান্তরিত করেছে। হিন্দুরা কোন প্রতিবাদ করার কারনে ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে জোর করে ধমন্তরিত করন এর ফরে হাজার  হাজার হিন্দু নিজ ধম ছেড়ে দিয়ে অন্য ধর্ গ্রহন করতে থাকে । এজন্য হিন্দুরা এত দুর্বল ।
ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ? (সনাতন বাংলা)

ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ? (সনাতন বাংলা)


ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ?

ভগবান তো সকল প্রনীতে আত্না রুপে বিরাজ করেন। কিন্তু তাকে দেখা  যায় না । তিনি সকলের হৃদয়ে বিদ্যমান আছেন । আমরা শধু উপল্বধি করতে পারে কিন্তু দেখা যায় না। ভগবানকে জানতে হলে মহাপুরুষের  রীতিনীতি মেনে চলা প্রয়োজন । তারা যে পথ দেখিয়েছেন আমাদেরকে সে পথ অনুসরন করলে আমরা ভগবানকে জানতে পারব।তাই আমাদেরকে মহাপুরুষের জীবন অনুসরন করতে হবে এবং ভগবানকে জানা সহজ হবে ।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯

আমি কে,কোথা থেকে এসেছি,কোথায় যাব নিজে জানুন অন্যকে জানান (সনাতন বাংলা)

আমি কে,কোথা থেকে এসেছি,কোথায় যাব নিজে জানুন অন্যকে জানান (সনাতন বাংলা)

সনাতন ধর্ম হচ্ছে আদি ধর্ম। ‍সিন্দু থেকে উৎপিত্ত হয়ে হিন্দু ধর্ম প্রচার হয়।

আমি কে,কোথা থেকে এসেছি,কোথায় যাব !!!

এজনম কত সাধনার ফলে পেয়েছি এই জনম কিসের জন্য? কৃষ্ণ ভজনের জন্য তার চরণ পাবার আশায় যা স্বর্গের দেব দেবীরা ও আশা করে যা ওদের ভাগ্যে
নাই, আর আমারা কি করছি?

মায়া দ্বারা আবদ্ধ হয়ে যে কি না আমাদের পরম বন্ধু তাকেই ভুলে বসে আছি। যারা নাকি পর দুদিনের সঙ্গী তাদের আপন করে বসে আছি। তাহলে আমরা কেমন বোকা?
এই ধরাধামে এসেছি প্রতিটি সেকেন্ডের ও অনেক মূল্য। আমাদের জন্য প্রতিটি মুহূর্ত হারিয়ে ফেলছি আমরা আমাদের জীবন থেকে।
আমাদের হিন্দু ধর্মের প্রতিটি সদস্যকে সকাল সন্ধ্যা সর্বনিম্ন 108 বার বা 2 মালা হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা উচিত।

সকল কাজের আগে কিছু খাওয়ার আগে শ্রী কৃষ্ণায় নমঃ প্রণাম করে খেতে হবে।

কারণ আমরা যা কিছু আহরণ করি সবই  ভগবানের সৃষ্টি তাই কোন কিছু খাওয়ার আগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে নিবেদন করে খেতে হয়।
আাজ এখানেই শেষ করলাম হরে কৃষ্ণ।

আরো বিস্তারিত নিয়ে  আমরা আসছি আমাদের সাথে থাকুন !!
আমাদের পোস্ট গুলো শেয়ার করতে একেবারে ভুলবেন না।