হিন্দু ধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
হিন্দু ধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৯

দেবতা পূজা বিধি সম্মত ,না অবিধি সম্মত..?  চলুন গীতা থেকে যেনে নিই !!

দেবতা পূজা বিধি সম্মত ,না অবিধি সম্মত..? চলুন গীতা থেকে যেনে নিই !!

দেবতা পূজা বিধি সম্মত ,না অবিধি সম্মত..?  চলুন গীতা থেকে যেনে নিই !!

হে গীতা মুখী ভাইবোনেরা দেখুন ৯ম ২৩ শ্লোকে কি বলেছেন
যেহপ্যন্যদেবতাভক্তা যজন্তে শ্রদ্ধায়ান্বিতাঃ।
তেহপি মামেব কৌন্তেয় যজন্ত্যবিধি পূর্বকম্ ।।
Debota Puja 2019
Debota Puja 


অনুবাদ: হে অর্জুন,যে ব্যক্তি ভক্তির সহিত অন্য দেবতা পূজা করে তারও বিধিহীনভাবে (অর্থ্যাৎ বিধি সম্মত নয়) আমারি ভজনা করে।

৪র্থ অধ্যায় ১২ শ্লোক

অনুবাদ: যে ব্যক্তি দেবতা পূজা করিয়া সিদ্ধি লাভ করিতে চায়, সে তাহা দ¦ারা সিদ্ধিলাভ করে, কিন্তু সে ব্যক্তি মুক্তি লাভ করিতে পারে না। (অর্থ্যাৎ সে ব্যক্তি ঈশ্বরকে লাভ করতে পারে না)

৭ম অধ্যায়ের ২০ শ্লোক

নানা কামনায় যাহার জ্ঞান নাশ হয় সেই ব্যক্তি নানাভাবে অন্যদেবতার পূজা করে।

৭ম অধ্যায়ের ২১ শ্লোক

যে ভক্ত অন্য যেই দেবতাকে পূজা করিতে চায় সে দেবতাকে পূজা করিবার অচলা ভক্তি আমিই দিয়ে থাকি (এখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন যে অচলা ভক্তি আমিই  দিয়। তাহলে শুধু শুধু দেবতা পুজা করে শ্রীকৃষ্ণের কথাকে অসম্মান করার কি দরকার।)
৭ম ২৩ শ্লোক

অন্য দেবতা পূজা করিয়া ভক্ত যে ইষ্টলাভ করে তাহা ক্ষণস্থায়ী , কিন্তু আমার ভক্ত চিরদিনের জন্য আমাকে লাভ করে।( তালে আমারা শুধু শুধু ক্ষণস্থায়িটা কেন নিব)


যারা দেবতা পূজা করে তারা রজোগুণের অধিকারী
১৪অধ্যাযের ২১ শ্লোক

রজোগুণ বৃদ্ধিকালে মরিলে নরলোকে যায় এবং তমো বৃদ্ধি কালে মরিলে পশুযোনি প্রাপ্ত হয়  হে সনাতন, তা হলে আমরা কেন শুধু শুধু নরলোকে যাব এবং পশু কেন হব বলতে পারেণ )

(সব কিছু বাদ দিয়ে হৃদয়দেশে ধ্যান করুণ ভগবান নিশ্চয় প্রকাশিত হবে)

রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯

সনাতন ধর্ম মানুষকে কী দিচ্চে !!!

সনাতন ধর্ম মানুষকে কী দিচ্চে !!!

সনাতন ধর্ম মানুষকে দিচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনের পূর্ণ বাস্থবায়ন এর প্রত্যশা  ।আমদের প্রত্যকে জন্মের পর থেকে শুরু করে মৃত্যুর  পরবর্তী সময় পযর্ন্ত রয়েছে দশবিদ সংস্কার। আমাদের আরো রয়েছে কিভাবে ভগবান কে লাভ করা যায় তার বর্ণাশ্রম।তাছাড়া ও অর্থবিদ্যা,চিকিৎসা বিদ্যা ,মহাকাশ বিদ্যা ,উদ্ভিদ বিদ্যা ও প্রাণী বিদ্যার মত আরো এমন বিষয় নেই যে আমাদের সনাতন ধর্মে পাওয়া্ যায় না।
Amader Hindu Dormo ki Dicce-Sonaton Bangla


সৃষ্টি কর্তা কী রকম সাকার না নিরাকার,সাকার হলে কি রকম আর নিরাকার হলে কি রকম, সাকার উপসনা লাভ কী বা নিরাকার উপসনা হলে লাভ কী ।আত্মা কি ভাবে সৃষ্টি হয়েছে, তার আয়তন কত সে কিভাবে চলাফেরা করে।
এই রকম বিষয়ক গেন অর্জন করা যায় আমাদের সনাতন ধর্মে ।
সনাতন ধর্ম হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ধর্ম।
আমাদের সনাতন ধর্মে কখনো কাহারো উপর জুলুম করেনি। বরং হাজারো নির্যাতন নিপাড়ণ হওয়ার পর ও মুখ বুঝে সহ্য করে আছে। ্এবং আমার ধর্ম বলে পারলে সহযোগিতা করো অন্যকে না হলে কারো  ক্ষতি করো না । এজন্য আমরা আমাদের নিয়ে গর্ববোধ করি।

শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯

আমি গর্বিত আমি সনাতন ধর্মালম্ববী !!

আমি গর্বিত আমি সনাতন ধর্মালম্ববী !!


আমি গর্বিত আমি সনাতন ধর্মালম্ববী !!


পৃ
থিবীতে সবচেয়ে প্রাচীন ধম হল সনাতন ধর্ম  । কালের বিবতনে অনেক পরিবতন হলে ও সনাতন ধর্ম আজ স্বমহিমায় দায়িয়ে আছে ।  আমদের ধম অনেক অন্যায় অত্যাচার সহ্য করে ও আজ ও এ ধম স্ব গবে দাড়িয়ে আছে । আমার ধর্ম সনাতন ধর্ম  এর কোন পরিবতন নাই । এই ধম আতীতে  ও ছিল  বতমানে আছে  ভবিষ্যতে ও থাকবে  । ।আমার ধম আমর অহংকার  । স্বামী বিবেকান্দ বলেছেন  তুমি পৃথিবীর যে প্রান্ত থাকনা কের তুমি গর্ভ করে বল আমি হিন্দু । 

ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ? (সনাতন বাংলা)

ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ? (সনাতন বাংলা)


ভগবান যে আছে তার প্রমাণ কি ?

ভগবান তো সকল প্রনীতে আত্না রুপে বিরাজ করেন। কিন্তু তাকে দেখা  যায় না । তিনি সকলের হৃদয়ে বিদ্যমান আছেন । আমরা শধু উপল্বধি করতে পারে কিন্তু দেখা যায় না। ভগবানকে জানতে হলে মহাপুরুষের  রীতিনীতি মেনে চলা প্রয়োজন । তারা যে পথ দেখিয়েছেন আমাদেরকে সে পথ অনুসরন করলে আমরা ভগবানকে জানতে পারব।তাই আমাদেরকে মহাপুরুষের জীবন অনুসরন করতে হবে এবং ভগবানকে জানা সহজ হবে ।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯

আমি কে,কোথা থেকে এসেছি,কোথায় যাব নিজে জানুন অন্যকে জানান (সনাতন বাংলা)

আমি কে,কোথা থেকে এসেছি,কোথায় যাব নিজে জানুন অন্যকে জানান (সনাতন বাংলা)

সনাতন ধর্ম হচ্ছে আদি ধর্ম। ‍সিন্দু থেকে উৎপিত্ত হয়ে হিন্দু ধর্ম প্রচার হয়।

আমি কে,কোথা থেকে এসেছি,কোথায় যাব !!!

এজনম কত সাধনার ফলে পেয়েছি এই জনম কিসের জন্য? কৃষ্ণ ভজনের জন্য তার চরণ পাবার আশায় যা স্বর্গের দেব দেবীরা ও আশা করে যা ওদের ভাগ্যে
নাই, আর আমারা কি করছি?

মায়া দ্বারা আবদ্ধ হয়ে যে কি না আমাদের পরম বন্ধু তাকেই ভুলে বসে আছি। যারা নাকি পর দুদিনের সঙ্গী তাদের আপন করে বসে আছি। তাহলে আমরা কেমন বোকা?
এই ধরাধামে এসেছি প্রতিটি সেকেন্ডের ও অনেক মূল্য। আমাদের জন্য প্রতিটি মুহূর্ত হারিয়ে ফেলছি আমরা আমাদের জীবন থেকে।
আমাদের হিন্দু ধর্মের প্রতিটি সদস্যকে সকাল সন্ধ্যা সর্বনিম্ন 108 বার বা 2 মালা হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা উচিত।

সকল কাজের আগে কিছু খাওয়ার আগে শ্রী কৃষ্ণায় নমঃ প্রণাম করে খেতে হবে।

কারণ আমরা যা কিছু আহরণ করি সবই  ভগবানের সৃষ্টি তাই কোন কিছু খাওয়ার আগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে নিবেদন করে খেতে হয়।
আাজ এখানেই শেষ করলাম হরে কৃষ্ণ।

আরো বিস্তারিত নিয়ে  আমরা আসছি আমাদের সাথে থাকুন !!
আমাদের পোস্ট গুলো শেয়ার করতে একেবারে ভুলবেন না।